গুরুত্বপূর্ণ

এই পৃষ্ঠার তথ্য শুধুমাত্র ১২ জুন ২০২৬-এর আগে করা আন্তর্জাতিক সুরক্ষা আবেদনগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

অভিভাবকহীন নাবালকের ছবি

সঙ্গীহীন নাবালক

সংক্ষিপ্ত বিবরণ

সঙ্গীহীন নাবালক

আন্তর্জাতিক সুরক্ষা আইন ২০১৫- এর ১৪ ধারা অনুসারে, কোনো প্রবেশ বন্দরে বা আন্তর্জাতিক সুরক্ষা কার্যালয়ে (আইপিও) আগত ১৮ বছরের কম বয়সী কোনো শিশু, যে কোনো প্রাপ্তবয়স্কের হেফাজতে নেই, তাকে শিশু ও পরিবার সংস্থা (টাসলা)-এর কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এরপর শিশু ও পরিবার সংস্থা নাবালকের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক সুরক্ষার জন্য আবেদন করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এই ধরনের আবেদন প্রক্রিয়াকরণের জন্য আইপিও, টাসলা-র সহযোগিতায় নির্দিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং টাসলা পুরো প্রক্রিয়া জুড়ে নাবালককে সহায়তা করবে, যার মধ্যে তার সাক্ষাৎকারে উপস্থিত থাকাও অন্তর্ভুক্ত।

অভিভাবকহীন নাবালকদের মামলা প্রক্রিয়াকরণের জন্য আইপিও-তে বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত কেসওয়ার্কার রয়েছেন।

একজন অভিভাবকহীন নাবালকের ছবি
ছবিতে লেখা "আরও তথ্য"
আরও তথ্য

অভিভাবকহীন নাবালকদের বিষয়ে আরও তথ্য আন্তর্জাতিক সুরক্ষার আবেদনকারীদের জন্য তথ্য পুস্তিকা (IPO1)-এর ৯ নং বিভাগে পাওয়া যাবে।

আন্তর্জাতিক সুরক্ষার আবেদনকারীদের জন্য তথ্য পুস্তিকা (IPO1)-এর অনূদিত সংস্করণগুলো এখানে পাওয়া যাবে।

তথ্য পুস্তিকা

অভিভাবকহীন নাবালক/বিচ্ছিন্ন শিশুদের জন্য তথ্য পুস্তিকা (আইপিও ৩)

আন্তর্জাতিক সুরক্ষার আবেদনকারী সঙ্গীহীন নাবালক/বিচ্ছিন্ন শিশুদের জন্য তথ্য পুস্তিকাটি এখন অনলাইনে পাওয়া যাচ্ছে।

একটি তথ্যমূলক পুস্তিকার ছবি

এই তথ্য কোনো আইনি পরামর্শ নয় এবং এটি আন্তর্জাতিক সুরক্ষা আইন ২০১৫- এর কোনো আইনি ব্যাখ্যা প্রদান করে না। ২০১৫ সালের আইনটি এবং আপনার মামলার উপর এর প্রভাব সম্পর্কে আপনার যদি আরও তথ্যের প্রয়োজন হয়, তবে আপনার আইনি পরামর্শ নেওয়া উচিত।

পরবর্তী পদক্ষেপ

আপনার আবেদন সম্পর্কে

আন্তর্জাতিক সুরক্ষা আবেদন প্রক্রিয়া এবং উপলব্ধ সহায়তা সম্পর্কিত তথ্য।

সহায়তা ও প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

প্রক্রিয়া চলাকালীন নির্দেশনা এবং সাধারণ প্রশ্নের উত্তর খুঁজুন।