
গ্রহণযোগ্যতা পরীক্ষা
কিছু ক্ষেত্রে আবেদনপত্রের প্রাক-যাচাই করা হবে।
এই প্রাক-পরীক্ষাকে ভর্তিযোগ্যতা পরীক্ষা বলা হয় এবং এটি সম্পন্ন হতে ২ মাস পর্যন্ত সময় লাগে।
এর মানে হলো, কর্তৃপক্ষ প্রথমে নিম্নলিখিত ছয়টি প্রশ্ন খতিয়ে দেখবে।
- 1আপনি কি ইতিমধ্যেই অন্য কোনো EU+ দেশে আন্তর্জাতিক সুরক্ষা পেয়েছেন?
- 2
আপনি কি ইতিমধ্যেই ইইউ-বহির্ভূত কোনো দেশে আন্তর্জাতিক সুরক্ষা পেয়েছেন, যেখানে আপনি নিরাপদ থাকবেন এবং যেখানে আপনি ফিরে যেতে পারবেন?
- 3
আপনাকে কি এমন কোনো দেশে পুনরায় প্রবেশাধিকার দেওয়া যেতে পারে যেখানে আপনি নিরাপদ থাকবেন এবং আপনার আন্তর্জাতিক সুরক্ষার আবেদনটি পর্যালোচনা করা যাবে?
- 4
ফেরতের সিদ্ধান্ত পাওয়ার ৭ দিনেরও বেশি সময় পর আপনি কি আন্তর্জাতিক সুরক্ষার জন্য আবেদন করেছিলেন?
- 5
কোনো আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কি আপনাকে অন্য কোনো দেশে নিরাপদে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করে দিয়েছে, অথবা তা করার প্রক্রিয়ায় আছে?
- 6
আপনার আবেদন প্রত্যাখ্যান হওয়ার পর আপনি কি নতুন কোনো উপাদান যোগ না করে আন্তর্জাতিক সুরক্ষার জন্য পুনরায় আবেদন করেছেন? নতুন উপাদান বলতে নতুন কোনো তথ্য বা প্রমাণকে বোঝানো হতে পারে যা থেকে বোঝা যায় যে আপনার আন্তর্জাতিক সুরক্ষা প্রয়োজন।
গ্রহণযোগ্যতা সাক্ষাৎকার
আবেদনকারীদের এই প্রশ্নগুলো নিয়ে একটি সাক্ষাৎকারের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে। এটিকে গ্রহণযোগ্যতা সাক্ষাৎকার বলা হয়। এই সাক্ষাৎকারের সময়, তাদের কাছে আরও জানতে চাওয়া হতে পারে যে তারা কেন আন্তর্জাতিক সুরক্ষার জন্য আবেদন করেছেন এবং কেন তারা তাদের দেশে ফিরে যেতে চান না।
উপরোক্ত প্রশ্নগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে আপনার পরিস্থিতি অনুযায়ী:
- একটি আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হতে পারে, অথবা
- প্রক্রিয়াটি চলতে থাকবে এবং কর্তৃপক্ষ খতিয়ে দেখবে যে আবেদনকারীর আন্তর্জাতিক সুরক্ষার প্রয়োজন আছে কি না।


